ইঁদুর কামড়েছে বলে উল্টে ইঁদুরকেই কামড়ে দিলেন তরুণী! শেষমেশ প্রাণে বাঁচল কে?

4th January 2024 9:04 am Country News
ইঁদুর কামড়েছে বলে উল্টে ইঁদুরকেই কামড়ে দিলেন তরুণী! শেষমেশ প্রাণে বাঁচল কে?


সম্প্রতি এক তরুণীর প্রতিশোধের খবর নেটদুনিয়ায় সকলের নজর কেড়েছে। ইঁদুর আঙুল কামড়ে দিয়েছে বলে ইঁদুরের উপর প্রতিশোধ নিয়েছে ১৮ বছর বয়সি তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছে চিনে। এই ঘটনার ফলাফল দেখে ঘুম উড়েছে নেটাগরিকদের। ইঁদুরের কামড় খেয়ে উল্টে সেই ইঁদুরটিকেই পরিকল্পনা করে মেরে ফেললেন তরুণী।

পূর্ব চিনের জিয়াংসু প্রদেশে তরুণীর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসেই ঘটেছে এই অদ্ভুত ঘটনাটি। ছাত্রাবাসের ঘরে ইঁদুর দেখতে পেয়ে তাঁকে ধরার চেষ্টায় ছিলেন তরুণী। ধরতে যাওয়ার সময় তরুণীর আঙুল কামড়ে দেয় ইঁদুরটি। রাগের মাথায় প্রথমে ইঁদুরটিকে মুঠোবন্দি করে সে। তার পর ইঁদুরটি পালানোর চেষ্টা করায় তার মাথায় কামড় বসায় তরুণী। তবে মহিলার কামড়ে নয়, তরুণীর হাতে মুঠোবন্দি থাকায় দমবদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ইঁদুরটির।

 

ইঁদুরটিকে কামড়াতে গিয়ে ঠোঁটেও আঘাত পেয়েছিলেন তরুণী। তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে তরুণীর কীর্তি শুনে অবাক হন চিকিৎসকেরাও। ইঁদুরের কামড়ের চিকিৎসা কী ভাবে করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না তাঁরা। তবে শেষমেশ চিকিৎসা শুরু হয়েছে তরুণীর। আপাতত তিনি সুস্থ রয়েছেন, তার শরীরে কোনও রকম বিষক্রিয়া হয়েনি। ঠোঁটের আঘাত ঠিক হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে, বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।