৫ ড্রাই ফ্রুট: সারা দিন ল্যাপটপে কাজ করেও চোখ ভাল রাখতে চাইলে খাওয়া আবশ্যিক

5th January 2024 9:52 am Country News
৫ ড্রাই ফ্রুট: সারা দিন ল্যাপটপে কাজ করেও চোখ ভাল রাখতে চাইলে খাওয়া আবশ্যিক


দিনের অধিকাংশ সময় অফিসে ল্যাপটপে চোখ রেখে কেটে যায় অনেকের। বাড়ি ফিরেও আবার মোবাইলে সিরিজ়, সিনেমা দেখতে বসা। অনেকে তো আবার বাড়ি ফিরেও কাজে বসেন। দীর্ঘ দিন ধরে এমন নিয়মেই চলছে অনেকের জীবন। আর এ সবেরই প্রভাব পড়ছে চোখে। সাময়িক কোনও অসুবিধা না হলেও দীর্ঘমেয়াদে নানা সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। ফিট থাকতে শরীরচর্চার যতটা প্রয়োজন আছে, তেমনই চোখ ভাল রাখতে বাড়তি যত্নআত্তি করা জরুরি। চোখ ভাল রাখতে কাজের ফাঁকেই বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। চোখে ঠান্ডা জলের ঝাপটা দেওয়া থেকে খানিক ক্ষণ চোখ বুজে থাকা— এগুলি মেনে চলতেই হয়। তবে চোখের যত্নে কিন্তু ভরসা রাখা যেতে পারে কিছু ড্রাই ফ্রুটের উপরেও। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি চোখের খেয়াল রাখতেও সমান পারদর্শী ড্রাই ফ্রুটস। তবে চোখের যত্নে কোন ড্রাই ফ্রুটগুলি বেশি করে খাবেন?

কাঠবাদাম

 

ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ কাঠবাদামের বহুমুখী উপকারিতা রয়েছে। বিশেষ করে দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে কাঠবাদাম সত্যিই কার্যকর। এই বাদাম অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের সঙ্গে লড়াই করে চোখ ভাল রাখে। সার্বিক সুস্থতার জন্যেও কাঠবাদাম খাওয়া জরুরি।

আখরোট

 

ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর আখরোট চোখের যত্ন নেয়। দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে এই জন্য ছোট থেকেই আখরোট খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। আখরোটে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ‘ড্রাই আইজ়’-এর সমস্যাও অনেকটা কমিয়ে দেয়।

 

পেস্তা

 

আরও এক উপকারী ড্রাই ফ্রুট হল পেস্তা। এতে থাকা জেক্সানাথিন বয়সজনিত চোখের সমস্যা প্রতিরোধ করে। দৃষ্টিশক্তি উন্নত হয় পেস্তা খেলে। তাই নিয়ম করে পেস্তা খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদেরা।

কিশমিশ

 

অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং পলিফেনলিক উপাদান সমৃদ্ধ কিশমিশ চোখের খেয়াল রাখতে দক্ষ। প্রদাহজনিত সমস্যা থেকে দূরে থাকতেও কিশমিশের জুড়ি মেলা ভার। দৃষ্টিশক্তি উন্নত করা থেকে চোখের নানা সংক্রমণ দূর করা— কিশমিশ ওষুধের মতো কাজ করে।

 

খেজুর

 

চোখের নানা সমস্যা দেখা দেয় ভিটামিন এ-র অভাবে। আর খেজুরে এই ভিটামিন রয়েছে ভরপুর পরিমাণে। তাই চোখের খেয়াল রাখতে খেজুর খাওয়া জরুরি। অনেকে আবার রাতে কম দেখেন। এই সমস্যারও সমাধান রয়েছে খেজুরে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।