অযোধ্যায় রামমন্দিরে বসল প্রথম সোনার দরজা তৈরি হচ্ছে সোনার আরও ১৩টি দরজা

10th January 2024 9:52 am Country News
অযোধ্যায় রামমন্দিরে বসল প্রথম সোনার দরজা তৈরি হচ্ছে সোনার আরও ১৩টি দরজা


উদ্বোধনের দিন দ্রুত এগিয়ে আসছে। গোটা দেশ তাকিয়ে রয়েছে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের দিকে। আগামী ২২ জানুয়ারি রামমন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে। তার আগে যুদ্ধকালীন ততপরতায় রামমন্দিরের ফিনিশিং টাচের কাজ চলছে।আজ, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অযোধ্যায় রাম মন্দিরে প্রথম সোনার দরজাটি বসানো হল। পুরো সোনার তৈরি দরজাটা একেবারে চকচক করছে। আগামী তিন দিনে এরকম আরও ১৩টি সোনার দরজা মন্দিরের ভিতর বসানো হবে। রামলাল্লার মূর্তির সামনে মূল ফটকে মোট ১৪টি সোনার গেট বসছে। আগামী বৃহস্পতিবারের সেই সব সোনার গেট বসে যাচ্ছে। রামমন্দির উদ্বোধনের দিন স্কুল ছুটির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।

 

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।