মুখের জেল্লা বজায় রাখতে চান? গোলাপ জলের বদলে মাখুন চায়ের লিকার কী ভাবে মাখবেন?

15th January 2024 7:23 am Country News
মুখের জেল্লা বজায় রাখতে চান? গোলাপ জলের বদলে মাখুন চায়ের লিকার কী ভাবে মাখবেন?


যত রাতই হোক, কাজ থেকে বাড়ি ফিরে ক্লান্তি কাটাতে চায়ের কাপে চুমুক দিতে হবে। সারা দিনের ক্লান্তি কাটাতে, শরীর এবং মন ঝরঝরে করে তুলতে পারে চায়ের ঘ্রাণ। একই ভাবে ত্বকের ক্লান্তি কাটাতেও ইদানীং চায়ের লিকার ব্যবহার করতে বলেন ত্বকচর্চার বিশেষজ্ঞরা। ইদানীং ত্বকচর্চার এই নিদান ঘুরে বেড়াচ্ছে সমাজমাধ্যম জুড়ে।ত্বকচর্চায় চায়ের লিকার ব্যবহার করাই যায়, তবে চা নির্বাচনের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। গ্রিন টি যেমন শরীরের জন্য ভাল, তেমন ত্বকের ক্ষেত্রেও এই চায়ের ভূমিকা রয়েছে। তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে এই চা। ক্যামোমাইল টি-ও এ ক্ষেত্রে ততটাই উপকারী। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য পেপারমিন্ট এবং ল্যাভেন্ডার টি বেশ ভাল। শুষ্ক ত্বকের জন্য অরেঞ্জ টি ব্যবহার করাই যায়। স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য আবার তুলসী চা দারুণ কাজের।

কী ভাবে ব্যবহার করবেন চায়ের লিকার?

ত্বকচর্চায় চায়ের লিকার ব্যবহার করাই যায়।

ত্বকের ধরন অনুযায়ী টি ব্যাগ বেছে নিন। তার পর ফুটন্ত জলে সেই ব্যাগ কিছু ক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। চা পাতা হলেও অসুবিধে নেই। মিনিট পাঁচেক পর ছেঁকে নিন। এ বার এই পানীয় একেবারে ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। একেবারে ঠান্ডা হলে ওই পানীয় স্প্রে বোতলে ভরে ফ্রিজ়ে রেখে দিন। মাইল্ড কোনও ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে, ঠান্ডা চায়ের লিকার মুখে স্প্রে করতে পারেন। আবার, চায়ের লিকারে তুলো ভিজিয়ে মুখে মাখতে পারেন। এর উপর সিরাম কিংবা ময়েশ্চারাইজ়ার মেখে সারা রাত রেখেও দিতে পারেন। তবে, এই ধরনের চায়ে প্রাকৃতিক উপাদানের মাত্রা বেশি। তাই স্পর্শকাতর ত্বকে অস্বস্তি হওয়া স্বাভাবিক। তেমন হলে চায়র লিকার মাখার মিনিট পাঁচেক পর মুখ ধুয়েও ফেলতে পারেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।