কাঁচালঙ্কার বদলে স্যালাডে দিন বিশেষ এই মশলা, বশে থাকবে উচ্চ রক্তচাপ

17th January 2024 10:20 am Country News
কাঁচালঙ্কার বদলে স্যালাডে দিন বিশেষ এই মশলা, বশে থাকবে উচ্চ রক্তচাপ


ভারতে প্রতি বছর ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষের ‘হাইপারটেনশন’ বা উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে। অল্প বয়সে স্ট্রোক বা হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ কিন্তু এই উচ্চ রক্তচাপ। যাঁদের এই সমস্যা রয়েছে, নিয়ম করে তাঁদের ওষুধও খেতে হয়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ধমনীর ভিতরে থাকা কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধমনীর ক্রিয়াকলাপে অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। যার প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কেও। তাই সকালে জলখাবার খাওয়ার পর রোজই হাইপারটেনশন কমানোর ওষুধ খান। তা সত্ত্বেও যদি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না আসে, তখন কী করবেন?

পুষ্টিবিদেরা বলছেন, হেঁশেলেই এমন একটি মশলা রয়েছে যা তৎক্ষণাৎ রক্তচাপকে স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারে। সেটি হল গোলমরিচ। চিনা বিভিন্ন পদে তো বটেই, বাংলার অনেক পদেও গোলমরিচের ব্যবহার রয়েছে। তবে, হাইপারটেনশনের সমস্যা বশে রাখতে চাইলে রসিয়ে-কষিয়ে খেলে কিন্তু হবে না। তৎক্ষণাৎ কয়েক দানা গোলমরিচ চিবিয়ে খেতে হবে। তা ছাড়া স্যালাড, স্যুপে কিংবা অন্য কোনও পদের উপর থেকে গোলমরিচ গুঁড়ো ছড়িয়ে নিয়মিত খেলেও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। অনেকেই সকালে ঈষদুষ্ণ জলে লেবুর রস এবং মধুর সঙ্গে গোলমরিচের গুঁড়়ো মিশিয়ে খান।

গোলমরিচের মধ্যে এমন কি আছে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে?

ক্যালশিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, ক্যারোটিন, থাইম এবং প্যাপেরিন রয়েছে গোলমরিচের মধ্যে। পুষ্টিবিদেরা বলছেন, মরিচের মধ্যে থাকা এই প্যাপেরিন উপাদানটি রক্তে পটাশিয়াম বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। যা হার্টের বড় কোনও সমস্যা রুখে দিতে পারে। একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, গোলমরিচের মধ্যে এমন একটি উপাদান রয়েছে, যা রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।