প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়েন পরিণীতি, ফিরে এসে রাঘবকে নিয়ে গুগলের কাছে কী জানতে চান নায়িকা?

4th February 2024 10:27 am Country News
প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়েন পরিণীতি, ফিরে এসে রাঘবকে নিয়ে গুগলের কাছে কী জানতে চান নায়িকা?


এক জন রূপোলি জগতের নায়িকা। অন্য জন রাজনীতির মানুষ। অথচ দু'প্রান্তে থাকা দু'টি মন মিলে গিয়েছে। ঘর বেঁধেছেন অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া এবং আপ-নেতা রাঘব চড্ডা। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে চার হাত এক হয়েছে দু'জনের। কয়েক বছর আগে জলখাবারের টেবিল থেকে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা পূর্ণতা পেয়েছে। বিয়ের পর পেরিয়ে গিয়েছে পাঁচ মাস। সম্প্রতি একটি গোপন কথা ভাগ করে নিলেন পরিণীতি।

কোনও এক প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে বিদেশের মাটিতে প্রথম দেখা হয় দু'জনের। জলখাবারের টেবিলের দু'প্রান্তে বসেছিলেন দুজন। আধঘণ্টা মতো একসঙ্গে ছিলেন। টুকটাক কথাবার্তা বলেছিলেন। তখনই নাকি রাঘবকে মনে ধরেছিল পরিণীতির। কিন্তু রাঘব সম্পর্কে বিন্দুবিসর্গও জানতেন না পরিণীতি। রাঘব কোথায় থাকেন, কত বয়স— কোনও কিছুই তিনি জানতেন না। কারণ, রাজনীতি নিয়ে একেবারেই কোনও আগ্রহ ছিল না পরিণীতির। কিন্তু রাঘবের জন্য একটা ভাললাগা তৈরি হয়েছিল মনে। কিন্তু মনে মনে একটা আশঙ্কা ছিল তাঁর। রাঘব বিবাহিত নন তো?

 

রাঘবের সঙ্গে দেখা করে ফিরে আসার পর সেই সন্দেহের নিরসন ঘটান পরিণীতি। গুগুল সার্চ করে দেখে নেন, রাঘবের বিয়ে হয়ে গিয়েছে কি না। গুগল তাঁকে জানায়, রাঘবের বিয়ে হয়নি। এটা জানার পর নাকি হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছিলেন পরিণীতি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।