মাসকাবারির বাজার এনে বাইরে ফেলে রেখেছেন? কোন কোন খাবার ফ্রিজে না রাখলেই নষ্ট হয়ে যাবে

8th February 2024 11:41 am Country News
মাসকাবারির বাজার এনে বাইরে ফেলে রেখেছেন? কোন কোন খাবার ফ্রিজে না রাখলেই নষ্ট হয়ে যাবে


বাজার থেকে মাসের মুদির জিনিসপত্র আসার পর কিছু জিনিস আগেই বাছাই করে ফ্রিজে রেখে দেওয়ার অভ্যাস রয়েছে। ফ্রিজে রাখা জিনিসের তালিকায় থাকে দুধ, ডিম, দই, মাখন, হিমায়িত খাবার (ফ্রোজ়েন ফুড)। তবে শুধু এই খাবারগুলিই নয়, আরও বেশ কিছু খাবার রয়েছে, যা ফ্রিজে রাখলে দীর্ঘ দিন ভাল থাকে, অথচ অনেকেই তা জানেন না। জেনে নিন মাসের বাজারের কোন খাবারগুলি এখনই ফ্রিজে ভরবেন।

বাদাম ও বীজ: অনেকেই এখন স্বাস্থ্য সচেতন। প্রাতরাশে বাদাম ও বীজ রাখেন তাঁরা। তাই মাসের বাজারে অনেকটা পরিমাণ বাদাম কিনে রাখতেই হয়। বাদাম ও বীজে তাকে প্রাকৃতিক তেল। বাইরে থাকলে আবহাওয়ার কারণে সেই প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যায়। অথচ বায়ু নিরোধক কোনও কৌটে ভরে ফ্রিজে রাখলে দীর্ঘ দিন ভাল থাকবে বাদাম ও বীজ।

 

হার্বস ও মশলা: পাস্তা, পিৎজ়া বানানোর সময়ে অরিগ্যানো, থাইম, চিলি ফ্লেক্স ব্যবহার করা হয়। অথচ বাইরে রাখলে অল্প দিনেই সেগুলি খারাপ হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রেও বায়ু নিরোধক কোনও কৌটে ভরে ফ্রিজে রাখলে দীর্ঘ দিন ভাল থাকবে হার্বস ও মশলা।

প্রাকৃতিক শিরাপ: মধু হোক বা মেপল সিরাপ খুব বেশি দিন বাইরে রাখলেই কিন্তু খারাপ হয়ে যেতে পারে। দীর্ঘ দিন সেগুলি ভাল রাখতে চাইলে শিশিটি খোলার পরেই ফ্রিজে ভরে রাখুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।