বাড়িতে পার্টি কিংবা বন্ধুদের আড্ডা, রেঁধে ফেলুন চিনাপাড়ার পরিচিত পদ গোল্ডেন ফ্রায়েড প্রন

12th February 2024 2:44 pm Country News
বাড়িতে পার্টি কিংবা বন্ধুদের আড্ডা, রেঁধে ফেলুন চিনাপাড়ার পরিচিত পদ গোল্ডেন ফ্রায়েড প্রন


যাঁরা কোনও মাছ খেতে পছন্দ করে না, তাঁদেরও চিংড়ির নাম শুনলেই জিভে জল আসে। চিংড়ি এমনই এক সুস্বাদু জলচর। সেই চিংড়ির কোনও স্ন্যাকস যদি আপনার বাড়িতে অতিথিকে পরিবেশন করেন, তা হলে আপনার সুখ্যাতি হবেই হবে। বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা হোক কিংবা কারও জন্মদিনের পার্টি, অতিথিদের জন্য বানিয়ে ফেলুন গোল্ডেন ফ্রায়েড প্রন। রইল রেসিপি।

চিংড়ি: ৩০০ গ্রাম (মাঝারি সাইজের, ধুয়ে খোসা ছাড়ানো)

 

ডিম: ১ টি

নুন ও চিনি: স্বাদমতো

 

ময়দা: ৩ টেবিল চামচ

 

কর্নফ্লাওয়ার: ৬ টেবিল চামচ

 

গোলমরিচের গুঁড়ো: ১ চা চামচ

 

বরফ জল: পরিমাণ মতো

 

বেকিং পাউডার: আধ চা চামচ

 

লেবুর রস: ১ টেবিল চামচ

 

সয়া সস্: ২ টেবিল চামচ

 

রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ

 

সাদা তেল: ভাজার জন্য

প্রণালী:

 

চিংড়িগুলি ভাল করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। খেয়াল করবেন, চিংড়ির লেজগুলি যেন আস্ত থাকে। এ বার ছুরি দিয়ে চিংড়িগুলিকে মাঝ বরাবর চিরে নিন। একটি পাত্রে মাছগুলি নিয়ে তাতে একে নুন, গোলমরিচ, রসুন বাটা, সয়া সস্ আর লেবুর রস মাখিয়ে নিন। আধ ঘণ্টা ম্যারিনেট করে ফ্রিজে রাখুন। এ বার আরেকটি পাত্রে ময়দা, কর্নফ্লাওয়ার, গোলমরিচ, নুন, বেকিং পাউডার, ডিম আর বরফ জল দিয়ে একটি ঘন মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এ বার চিংড়িগুলি মিশ্রণে ডুবিয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে গোল্ডেন ফ্রায়েড প্রন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।