চাল-ডাল ফেটিয়ে হাত ব্যথা হলেও ইডলি কিছুতেই নরম হয় না, ৫ টোটকা মেনে চললেই কাজ হবে

22nd February 2024 2:59 pm Country News
চাল-ডাল ফেটিয়ে হাত ব্যথা হলেও ইডলি কিছুতেই নরম হয় না, ৫ টোটকা মেনে চললেই কাজ হবে


অনেকের কাছেই শুনেছেন, চাল-ডালের মিশ্রণ ভাল করে না ফেটালে ইডলি নরম হয় না। তাই হাতের নড়া খুলে গেলেও ঘণ্টাখানেক ধরে ওই মিশ্রণ ফেটিয়েই চলেছেন। এত কষ্ট করে ইডলি তৈরি করার পর খেতে গিয়ে নিজেই মুখ ব্যাজার করে ফেললেন। কারণ, আপনার করা ইডলি পাড়ায় ঠেলাগাড়ি নিয়ে আসা দোকানের মতো নরম হয়নি। ইডলি, দোসার মতো খাবার বানানোর ক্ষেত্রে দক্ষিণীদের বিশেষ দক্ষতা রয়েছে ঠিকই, তবে কয়েকটি টোটকা জানা থাকলে আপনার হাতে তৈরি ইডলিও নরম হতে পারে।

ইডলি নরম করতে কী কী করতে হবে?

 

১) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল চাল-ডালের পরিমাপ। ইডলি নরম রাখতে গেলে এই দু’টি মূল উপকরণের অনুপাত হবে ৪:১।

২) চাল এবং ডাল একই সঙ্গে মিক্সিতে বাটবেন। তাই বলে চাল, ডাল একই সঙ্গে ভিজিয়ে রাখা যাবে না। দু’টি আলাদা পাত্রে অন্তত পক্ষে ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে।

 

৩) এমন ভাবে চাল এবং ডাল বেটে নিতে হবে, যেন তা মসৃণ হয়। চাল-ডালের মিশ্রণে এক সঙ্গে অনেকটা জল মিশিয়ে ফেলা যাবে না। প্রয়োজন বুঝে অল্প অল্প করে জল মেশাতে হবে।

৪) এই মিশ্রণ অবশ্যই সারা রাত রেখে দিতে হবে। তবেই ইডলি নরম হবে। প্রয়োজনে কয়েকটা মেথি দানা মিশিয়ে নিতে পারেন। মেথি ফার্মেন্টশনে সাহায্য করে।

 

৫) হাতে খুব বেশি সময় না থাকলে চাল-ডালের মিশ্রণ সারা রাত রাখতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে সামান্য একটু বেকিং সোডা বা ফ্লেভারহীন কার্বোনেটেড পানীয় মিশিয়ে নিতে পারেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।