গরমে মুখে কিছু মাখলেই তো দরদর করে ঘাম হবে, ক্রিম না সিরাম, সঙ্গে কোনটা রাখবেন?

26th February 2024 11:27 pm Country News
গরমে মুখে কিছু মাখলেই তো দরদর করে ঘাম হবে, ক্রিম না সিরাম, সঙ্গে কোনটা রাখবেন?


শীতে ত্বকের সমস্যা এক রকম। আবার, গরমকালে তার ঝক্কি আলাদা। তৈলাক্ত ত্বক, ব্রণর সমস্যা তো আছেই, সঙ্গে এ বার ঘাম। মুখে কিছু মাখার উপায় নেই। ক্রিম মেখে শীত কাটলেও গরমে তা মাখতে পারেন না। ইদানীং রূপচর্চার জগতে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ফেস সিরাম। কিন্তু কার ত্বকের জন্য কোনটি ভাল বুঝবেন কী করে? অভিজ্ঞরা বলছেন, ত্বকের যত্নে ক্রিম এবং সিরাম দুটোরই ভূমিকা রয়েছে। ত্বকে সিরাম তাড়াতাড়ি শুষে নেয়। ক্রিম কাজ শুরু করে অনেক দেরিতে। তাই ক্রিমের তুলনায় সিরাম বেশি কাজ দেয়। কিন্তু ত্বকের সামগ্রিক উন্নতি চাইলে রাতে শোয়ার আগে মাইল্ড কোনও ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে টোনার মাখার পর সিরাম ব্যবহার করতেই হবে। তার পর ত্বকের ধরন বুঝে ক্রিম মাখা যেতে পারে।

ক্রিম আর সিরাম কি আলাদা?

 

কাজ মোটামুটি এক রকম হলেও দুটো প্রসাধনীর উপাদান কিন্তু আলাদা। ক্রিমের তুলনায় সিরাম অনেকটাই হালকা, ওয়াটার বেস্‌ড। ক্রিমে আবার তৈলাক্ত ভাব বেশি। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখার পাশাপাশি ত্বক দীর্ঘ ক্ষণ নরম রাখতেও সাহায্য করে ক্রিম।

সিরাম কেন ব্যবহার করবেন?

 

সিরামের কাজ অনেকটাই ত্বকের সমস্যাকেন্দ্রিক। ত্বকে সূক্ষ্ম ভাঁজ, বলিরেখা, শুষ্কতা, ব্রণ, পিগমেন্টেশনের মতো সমস্যা নিরাময়ে সাহায্য করে সিরাম।

ক্রিম কেন ব্যবহার করবেন?

 

অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বকে আর্দ্র ভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে ক্রিম। তবে ত্বকের কোনও সমস্যার সমাধান করা এই প্রসাধনীর কাজ নয়। উল্টে, তৈলাক্ত ত্বকের ব্রণর সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে ক্রিম।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।