ওয়াশিং মেশিনে কাচলেই নতুন জিন্‌স ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে? ৫ উপায় মেনে চললেই হবে মুশকিল আসান

4th March 2024 9:04 pm Country News
ওয়াশিং মেশিনে কাচলেই নতুন জিন্‌স ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে? ৫ উপায় মেনে চললেই হবে মুশকিল আসান


অফিসে হোক কিংবা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা, আরামদায়ক পোশাক বাছতে হলে অনেকেরই পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকে ডেনিম। আলমারিতে আর কোনও পোশাক থাকুক বা না থাকুক, জিন্‌স কিন্তু থাকা চাই-ই-চাই! শার্ট হোক কিংবা কুর্তি, জিন্‌সের সঙ্গে যা-ই পরুন না কেন, সবই মানায়। তবে সাধ করে জিন্‌স কিনলেও ওয়াশিং মেশিনে ধুলেই কয়েক মাসের মধ্যেই ফ্যাকাশে হয়ে যায়। জেনে নিন, কী ভাবে কাচলে বেশি দিন টিকবে সাধের ডেনিমের রং।

১) অনেকেরই অভ্যাস আছে জিন্‌সটা একই রেখে জামাটা বদলে বদলে পরার। বেশি বার জিন্‌স কাচলে রং ফ্যাকাশে হয়ে যাবে। তাই ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে জিন্‌স পরুন। বেশি ঘন ঘন কাচবেন না। এতে বেশি দিন টিকবে।

 

২) জামাকাপড় বেশি নোংরা হলে অনেক সময়েই গরম জলে কাচা হয়। ডেনিমের ক্ষেত্রে কিন্তু সেই ভুল করবেন না। ডেনিম সব সময়ে ঠান্ডা জলে কাচুন। তা হলেই রং টিকবে।

৩) ডেনিম সব সময়ে উল্টো করে কাচুন। এতে রং ফিকে হবে না। ডেনিম হাতে ধুলেই ভাল। ওয়াশিং মেশিনে কাচলে খারাপ হবে তাড়াতাড়ি।

৪) ডেনিমের রং ধরে রাখতে কাচার সময়ে বালতির জলে মেশান কয়েক ফোঁটা ভিনিগার।

 

৫) কাচাকাচির পর জিন্‌স নিংড়াবেন না। বরং টানটান করে জল ঝরাতে মেলে দিন। খানিক ক্ষণ পর রোদে দিয়ে শুকিয়ে ফেলুন। রং টেকসই রাখতে উল্টো করে রোদে শুকোতে দিন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।