আলু-পটলের সাধারণ ডালনা খেতে ভাল লাগে না? বদলে রেঁধে ফেলতে পারেন চাল পটল

8th March 2024 9:29 pm Country News
আলু-পটলের সাধারণ ডালনা খেতে ভাল লাগে না? বদলে রেঁধে ফেলতে পারেন চাল পটল


শীতকালে বাজারে যেমন কপির ছড়াছড়ি, গরমকালে আবার সেই জায়গা দখল করে পটল। প্রায় পুরো গরমকাল জুড়েই চলে পটলের মরসুম। পটল ভাজা, পটল দিয়ে মাছের ঝোল, আলু-পটলের ডালনা কিংবা দোলমা— সবই তো খেয়েছেন। কিন্তু চাল পটল চেখে দেখেছেন কি? চাঁদি ফাটা গরমে পটলের বীজে পাক ধরার আগেই এক দিন রেঁধে ফেলুন চাল পটল। কী ভাবে রাঁধবেন? রইল রেসিপি।

উপকরণ:

 

পটল: ৫০০ গ্রাম

 

আলু: ২৫০ গ্রাম

 

টোম্যাটো: ১ কাপ

 

গোবিন্দভোগ চাল: ১ কাপ

 

কাজুবাদাম: ২ টেবিল চামচ

 

কিশমিশ: ২ টেবিল চামচ

 

সর্ষের তেল: ৩ টেবিল চামচ

 

গোটা জিরে: ১ টেবিল চামচ

 

গরম মশলা গুঁড়ো: আধ চা চামচ

 

আদা বাটা: ১ চা চামচ

 

ধনে গুঁড়ো: ১ চা চামচ

 

হলুদ গুঁড়ো: আধ চা চামচ

 

লঙ্কা গুঁড়ো: আধ চা চামচ

 

শুকনো লঙ্কা: ১টি

 

তেজপাতা: ২টি

 

ছোট এলাচ: ২টি

 

লবঙ্গ: ২টি

 

দারচিনি: ১ ইঞ্চি

 

কাঁচালঙ্কা: ২টি

 

নুন: স্বাদ অনুযায়ী

 

চিনি: স্বাদ অনুযায়ী

 

প্রণালী:

 

১) প্রথমে গোবিন্দভোগ চাল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এ বার জল ঝরিয়ে খোলা হাওয়ায় শুকোতে দিন।

 

২) আলু, পটলের খোসা ছাড়িয়ে টুকরো করে নিন। টোম্যাটো, কাঁচালঙ্কাও কেটে রাখুন।

 

৩) ছোট একটি পাত্রে আদা, হলুন, ধনে, জিরে এবং লঙ্কা গুঁড়ো জল দিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে রাখুন।

 

৪) এ বার কড়াইতে তেল গরম করুন। তার মধ্যে কাজু, কিশমিশ ভেজে তুলে রাখুন। ওই তেলের মধ্যেই গোবিন্দভোগ চাল দিয়ে দিন। কিছু ক্ষণ নাড়াচাড়া করে অন্যত্র তুলে রাখুন।

 

৫) আরও কিছুটা সর্ষের তেল দিয়ে পটল ভেজে তুলে রাখুন। ওই তেলের মধ্যে শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা, গোটা গরম মশলা ফোড়ন দিন। কিছু ক্ষণ নাড়াচাড়া করে তার মধ্যে দিয়ে দিন কেটে রাখা আলু।

 

৬) তেল ছাড়তে শুরু করলে টোম্যাটো এবং কাঁচালঙ্কা দিয়ে দিন। এ বার ভেজে রাখা কাজু, কিশমিশ এবং গোবিন্দভোগ চাল দিয়ে নাড়তে থাকুন। নুন, চিনি দিন।

 

৭) সামান্য জল দিন এই সময়েই। চাল সেদ্ধ হলে উপর থেকে ভেজে রাখা পটলগুলো ছড়িয়ে দিন।

 

৮) নামানোর আগে গরম মশলা এবং ঘি ছড়িয়ে দিন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।