ঘরে তৈরি মাছের পাতলা ঝোল, ভাত খেয়েও পেটখারাপ হতে পারে, যদি ভুল নিয়মে রান্না করেন

12th March 2024 8:14 pm Country News
ঘরে তৈরি মাছের পাতলা ঝোল, ভাত খেয়েও পেটখারাপ হতে পারে, যদি ভুল নিয়মে রান্না করেন


বাড়ির খাবার খেয়েও পেটের সংক্রমণ পিছু ছা়ড়ে না। এর নেপথ্যে রয়েছে রান্নার কিছু ভুল পদ্ধতি। রান্নার সময় কিছু নিয়ম মানা হয় না বলেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শরীরে গোলমাল দেখা যায়। শরীর সুস্থ রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কোনও বিকল্প নেই। তবে শুধু স্বাস্থ্যকর খাবার খেলেই হবে না, রান্নাও করতে হবে নিয়ম মেনে। সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করলে সংক্রমণের আশঙ্কা দূর হবে। সেই সঙ্গে শরীরও সুস্থ থাকবে।

১) তাড়াতাড়ি রান্না শেষ করার জন্য অনেকেই আঁচ বাড়িয়ে দেন। এতে খাবার সেদ্ধ হয়েছে মনে হলেও আসলে তা হয় না। ভাল করে রান্না না করলে ব্যাক্টেরিয়া থেকে যায়। যা শরীরে প্রবেশ করলে নানা শারীরিক সমস্যা দেখা যায়। তাই সব খাবারই অনেক ক্ষণ ধরে রান্না করা জরুরি।

 

২) কাঁচা মাংস, মাছ, সব্জি এবং রান্না করা খাবার একত্রে না রাখাই শ্রেয়। কাঁচা খাবারে নানা রকম ব্যাক্টেরিয়া থাকে। সেই বায়ুবাহিত ব্যাক্টেরিয়াগুলি রান্না করা খাবারে মিশে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এমনকি, যে কৌটোতে কাঁচা মাছ কিংবা মাংস রেখেছিলেন, সেই পাত্রটি ভাল করে না ধুয়ে রান্না করা খাবার তাতে রাখবেন না।

৩) খাবার তৈরির সময় রান্নাঘর পরিষ্কার থাকা অত্যন্ত জরুরি। অপরিচ্ছন্ন হেঁশেলে রান্না করা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। শুধু রান্নাঘর নয়, রান্না শুরুর আগে সাবান দিয়ে ভাল করে হাত ধুয়ে নেওয়া জরুরি। খুব ভাল হয়, যদি হাতে গ্লাভস পরে নিতে পারেন।

৪) গরমে খাবার ভাল রাখতে ফ্রিজ ব্যবহার করা ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু ফ্রিজের আবহাওয়া অত্যধিক ঠান্ডা করে দেবেন না। ফ্রিজের তাপমাত্রা যত কমাবেন, ব্যাক্টেরিয়া জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা ততই বাড়তে থাকবে। ফ্রিজে রাখা খাবার খেয়ে অসুস্থ হতে না চাইলে মাঝারি তাপমাত্রা সেট করুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।