শুধু গরমে নয়, বসন্তেও পেটখারাপ হতে পারে! সুস্থ থাকতে কোন খাবারগুলি খাবেন?

15th March 2024 9:52 pm Country News
শুধু গরমে নয়, বসন্তেও পেটখারাপ হতে পারে! সুস্থ থাকতে কোন খাবারগুলি খাবেন?


শহরে এখন বসন্তের আনাগোনা। তবু গরম যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। দিনে হোক কিংবা সূর্য ডোবার পর, রাস্তায় বেরোলেই বিন্দু বিন্দু ঘাম জমছে কপালে। চড়া রোদ না উঠলেও সঙ্গে একটা ছোট ছাতা রাখতেই হচ্ছে। বাড়ি ফিরে গলায় ঠান্ডা জল না ঢাললেও চলছে না। তাতে অবশ্য ঠান্ডা হওয়ার বদলে পেট গরম হয়। তা ছাড়া এখন ঋতু পরিবর্তনের সময়। ফলে পেটের রোগবালাই, সংক্রমণ লেগেই আছে। তাই পেট ঠান্ডা রাখা জরুরি। পেট ঠান্ডা রাখতে তাই কিছু খাবার নিয়মিত খেতে হবে।

দই

 

গরমের মরসুমে দইয়ের বিকল্প হয় না। সকালে বেরোনোর আগে জলখাবারে দই-চিঁড়ে, বেরি দিয়ে ইয়োগার্ট বা দই দিয়ে ফলের স্মুদি খেতে পারেন। শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে দই। গ্রিক ইয়োগার্ট খেলে প্রোটিনও পাবেন অন্য পুষ্টির সঙ্গে।

লেবুর শরবত

 

রোদ থেকে ফিরে শরীরের তাপমাত্রা একটু মানিয়ে নেওয়ার জন্য সময় দিন। তার পরে লেবু আর বিটনুনের শরবত খেতে পারেন। প্রাণ জুড়োবে। হজমশক্তির পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করবে এই শরবত।

 

শসা

 

শসা যে কোনও মরসুমে খাওয়াই স্বাস্থ্যকর। কিন্তু বিশেষ করে গরমকালে শসার স্যালাড অবশ্যই খাওয়া উচিত। শরীর ঠান্ডা থাকবে, ডিহাইড্রেশন হবে না এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্যেও শসা কার্যকর।

ডাবের জল

 

গরম থেকে বাঁচার অন্যতম উপায় হল ডাবের জল। এতে পেট ঠান্ডা থাকে। সঙ্গে থাকে বেশ কিছু পুষ্টিগুণও। ডাবের জল শরীরে সোডিয়াম, পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে। গরমের দিনে ডাবের জল খেলে তাই শরীর চাঙ্গা থাকে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।