ওপেন পোরসের সমস্যায় কাজ দিতে পারে ‘আইস ওয়াটার ফেসিয়াল’, কী ভাবে করবেন?

19th April 2024 8:44 pm Country News
ওপেন পোরসের সমস্যায় কাজ দিতে পারে ‘আইস ওয়াটার ফেসিয়াল’, কী ভাবে করবেন?


ইনস্টাগ্রাম খুললেই চোখে পড়ছে অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন এবং আলিয়া ভট্টের রূপচর্চার ভিডিয়ো। ঘুম থেকে উঠে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার পর তাঁরা মুখ ডোবাচ্ছেন বাটি ভর্তি বরফজলে। কেন করছেন? যাতে ত্বক টানটান থাকে। মুখের ছোট ছোট ছিদ্র, ওপেন পোরস বন্ধ হয়। চট করে মুখ একেবারে ঝকেঝকে হয়ে ওঠে। রূপটানশিল্পীরা বলছেন, এই থেরাপির নাম ‘ক্রায়োথেরাপি’। অতিরিক্ত ঠান্ডা ত্বকের সেবাম নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে অ্যাকনের প্রকোপ কমে। চোখের নীচের ফোলা ভাব কমাতে, মুখের লালচে বা পোড়া ভাব দূর করতে এই থেরাপি এখন বিশেষ ভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে শুধু মুখের ত্বকেই নয়, সারা শরীরেই নেওয়া যায় আইস বাথ। এতে পেশিগুলি আরাম পায়। চোট-আঘাত লেগে থাকলে তাতেও মলম পড়ে। ক্রিকেটার বিরাট কোহলি, অভিনেত্রী সমান্থা রুথ প্রভু মাঝেমধ্যেই বাথটবের বরফজলে ডুব দিয়ে বসে থাকেন। গোটা শরীরে না হলেও কম খরচে বাড়িতে বসেই মুখে এই থেরাপি করা যেতে পারে। কী ভাবে করবেন?

১) প্রথমে একটি বড় পাত্র নিন। পাত্রটি এতটাই বড় হবে যাতে মুখ ডোবানো যায়। এ বার তার মধ্যে ফ্রিজে রাখা জল এবং বরফ কুচি দিয়ে দিন। এক-দু’টুকরো বরফ দিলে কিন্তু হবে না। বেশ অনেকটা পরিমাণ বরফ দিতে হবে।

 

২) এ বার ওই পাত্রে মুখ ডুবিয়ে রাখুন ৫ সেকেন্ড। এই ভাবে ৫ থেকে ৬ বার বরফ জলে মুখ ডোবাতে হবে। গোটা প্রক্রিয়া শেষ করতে অন্তত পক্ষে মিনিট দশেক সময় লাগবে।

৩) হয়ে গেলে পরিষ্কার, নরম তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে মুখ মুছে নিতে হবে। তোয়ালে দিয়ে ঘষে ঘষে মুখ মুছতে যাবেন না।

 

৪) আগে থেকে ফ্রিজে রেখে দেওয়া ঠান্ডা জেড রোলার দিয়ে মুখে মাসাজ করতে হবে। এই সময়ে মুখে সিরাম মাখা যেতে পারে। তাতে মুখের উপর রোলার দিয়ে মাসাজ করতে সুবিধে হবে।

 

৫) বেশি ক্ষণ বরফজলে মুখ ডুবিয়ে রাখা মোটেও ভাল নয়। আইসবার্ন হতে পারে। যদি তেমনটা হয়, সে ক্ষেত্রে গরম জলে তোয়ালে ডুবিয়ে, নিংড়ে নিয়ে মুখে ভাপ নিতে পারেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।