কাঁচা মরিচ গুঁড়া করে সারা বছর সংরক্ষণ করার পদ্ধতি একঝলক

6th June 2024 1:29 pm Country News
কাঁচা মরিচ গুঁড়া করে সারা বছর সংরক্ষণ করার পদ্ধতি একঝলক


হলুদের গুড়া, শুকনা মরিচ গুঁড়া হয় এটা সবার জানা। তবে কাঁচা মরিটের যে গুঁড়া হয় সেটা অনেকেরই হয়তো জানা নেই। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রান্নার কাজে দরকারী এক উপাদান কাঁচা মরিচ।যেকোনো ধরনের তরকারি, সালাদ কিংবা অন্যান্য অনেক খাবারেই এটি ব্যবহার হয়ে থাকে। কাঁচা মরচে রয়েছে ক্যাপসেইসিন নামের একটি উপাদান।এই ক্যাপসেইসিন শরীরের প্রদাহ ও বাতের ব্যথা কমায়।আমেরিকার ইনস্টিটিউট অব ক্যা'ন্সার রিসার্চ বলছে, টাটকা সবুজ কাঁচা মরিচে যে ক্যাপসেইসিন আছে, তা ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রোধ করতে পারে।তাই কাঁচা মরিচে কেবল ঝালই নেই, আছে নানা উপকারী উপাদানও। এতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। তাই দীর্ঘদিন কাঁচা মরিচের গুঁড়া ঘরে সংরক্ষণ করুন।এতে করে দাম বেশি হোক বা কম আপনাকে আর মাস ছয় কিনতেই হবে না। জেনে নিন কাঁচা মরিচ গুঁড়া সংরক্ষণের উপায়-যেভাবে কাঁচা মরিচ গুঁড়া করবেন : প্রথমে কাঁচা মরিচ ভালোভাবে ধুয়ে নিন।ধোয়া হলে চার ফালি করে কাটুন। এবার একটি ট্রেতে শুকাতে দিন। চার থেকে পাঁচ দিন এভাবে শুকিয়ে নিন। ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে গুঁড়া করে নিন। গুঁড়াগুলো আবার একটু শুকিয়ে বায়ু নিরুদ্ধ পাত্রে রেখে সারা বছর সংরক্ষণ করুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।