কাশ্মীরকে ভারতের থেকে বিচ্ছিন্ন করার ডাক! ৭ বছরের জেল হতে পারে অরুন্ধতী রায়ের

13th October 2023 7:48 pm Country News
কাশ্মীরকে ভারতের থেকে বিচ্ছিন্ন করার ডাক! ৭ বছরের জেল হতে পারে অরুন্ধতী রায়ের


বিচারে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন সাহিত্যিক অরুন্ধতী রায়। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছেন দিল্লির উপরাজ্যপাল ভি কে সাক্সেনা। কেবল অরুন্ধতীই নয়, কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শওকত হোসেনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে। এই মামলার আর এক অভিযুক্ত সইদ আবদুল রহমান গিলানি অবশ্য আগেই প্রয়াত হয়েছেন। ২০১০ সালে দিল্লিতে এক জনসভায় উসকানিমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।

 

‘গড অফ দ্য স্মল থিংস’ উপন্যাস লিখে ১৯৯৭ সালে বুকার পুরস্কার পেয়েছিলেন অরুন্ধতী রায় (Arundhati Roy)। ‘আজাদি: দ্য অনলি ওয়ে’ নামের এক অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি কাশ্মীরকে ভারতের থেকে বিচ্ছিন্ন করার দাবি জানিয়েছিলেন বলেই অভিযোগ। একই অভিযোগ অন্য অভিযুক্ত সাক্সেনার বিরুদ্ধেও রয়েছে।

 

ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩এ, ১৫৩বি ও ৫০৫ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও ইউপিএ’র (UAPA) ১৩ নম্বর ধারাতেও তাঁদের অভিযুক্ত করার আবেদন করেছে দিল্লি পুলিশ। তবে আপাতত আইপিসির তিনটে ধারাতেই মামলা শুরুর অনুমতি দিয়েছেন দিল্লির উপরাজ্যপাল। যদি সেই ধারাতেও মামলা শুরু হয় তাহলে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হলে অরুন্ধতীর সর্বোচ্চ ৭ বছরের সাজা হতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।