পুজোতে ঘুম ভাঙবে চন্দ্রযানের?

16th October 2023 5:11 pm Country News
পুজোতে ঘুম ভাঙবে চন্দ্রযানের?


ভারতীয় কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকর ৬ বার একদিনের বিশ্বকাপে খেলেছিলেন। তাতে তিনি করেন ছ’টি সেঞ্চুরি, এদিকে রোহিত ৩ নম্বর বিশ্বকাপের তৃতীয় ম্যাচ পর্যন্ত সপ্তম শতরান করেছেন ভারত অধি‌নায়ক। চলতি বিশ্বকাপে ভারতীয়দের মধ্যে প্রথম শতরানের খাতা খোলেন রোহিত। প্রতিটি‌ বিশ্বকাপে (১৯৭৫-২০২৩) ভারতীয়দের মধ্যে প্রথম শতরান করেছিলেন কোন ব্যাটসম্যানরা? সেই তথ্যই তুলে ধরা এই প্রতিবেদনে।১৯৭৫ এবং ১৯৭৯ সালের বিশ্বকাপে কোনও ভারতীয় ব্যাটসম্যানই শতরান করতে পারেননি। ভারতের হয়ে প্রথম বিশ্বকাপে শতরান করেন কপিল দেব। ১৯৮৩ সালে একদিনের বিশ্বকাপে ভারতের প্রথম সেঞ্চুরিয়ানের ‌নাম কপিল দেব। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে কপিলের মহাকাব্যিক অপরাজিত ১৭৫ রানের ইনিংসটা ভারতীয় ক্রিকেটের লোকগাথায় জায়গা করে নিয়েছে।১৯৮৭ সালে বিশ্বকাপে প্রথম শতরানকারী১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে প্রথম শতরান করেন সুনীল গাভাসকর। নাগপুরে বিদর্ভ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মাঠে সেঞ্চুরি করেন লিটল মাস্টার।১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে কোনও ভারতীয় ব্যাটসম্যা‌ন শতরান করতে পারেননি।১৯৯৬ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়ার হয়ে প্রথম শতরানকারীর নাম সচিন তেন্ডুলকর। কটকের মাঠে কেনিয়ার বিরুদ্ধে অপরাজিত ১২৭ রান করেছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। সেই বিশ্বকাপে শ্রী‌লঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচে আরও একটি শতরান করেছিলেন সচিন। ফিরোজ শাহ কোটলায় ১৩৭ রান করেছিলেন ।ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে প্রথম শতরান আসে সচি‌নের ব্যাট থেকেই। কেনিয়ার বিরুদ্ধে ১৪০ রানে অপরাজিত একটা ইনিংস খেলেছি‌লেন। এই বিশ্বকাপে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, রাহলের জন্য রান করেন ব্যাটসম্যানরা। কিন্তু তারসঙ্গে জড়ে যায় ব্যক্তিগত মাইলস্টোনও। বিশ্বকাপে শতরানে নিরিখে ভারতীয়দের মধ্যে শীর্ষে আছেন রোহিত শর্মা। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি শতরানকারী ক্রিকেটারদের তালিকায় শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছেন রোহিত। কেরিয়ারের তৃতীয় একদিনের বিশ্বকাপ খেলতে নেমে এই রেকর্ড গড়েন হিটম্যান।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।