অলিম্পিক গেমসে ক্রিকেটসহ অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে এই ৫ টি খেলা

17th October 2023 6:27 pm Country News
অলিম্পিক গেমসে ক্রিকেটসহ অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে এই ৫ টি খেলা


২০২৮ সালের অলিম্পিক গেমসে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ক্রিকেট সহ আরও ৫ টি খেলা । সোমবার অলিম্পিক গেমসের অফিসিয়াল 'এক্স' হ্যান্ডেলে এই খবর জানিয়ে বলা হয়েছে যে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি(IOC) ৫ টি অতিরিক্ত খেলার জন্য লস অ্যাঞ্জেলেস ২০২৮ এর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে ।কমিটির তরফে দেওয়া খেলার তালিকাটি হল : বেসবল/সফটবল, ক্রিকেট, পতাকা ফুটবল(flag football), ল্যাক্রোস (lacrosse) এবং স্কোয়াশ ।অলিম্পিকে ক্রিকেটকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কমিটির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ওআইসির পোস্টটি ফরোয়ার্ড করে লিখেছেন,'বেসবল-সফটবল, ক্রিকেট, ফ্ল্যাগ ফুটবল, ল্যাক্রোস এবং স্কোয়াশ এলএ২৮-এ অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় খুবই আনন্দিত । ক্রীড়াবিদদের জন্য এটি একটি দুর্দান্ত খবর। একটি ক্রিকেটপ্রেমী জাতি হিসেবে, আমরা ক্রিকেটের অন্তর্ভুক্তিকে বিশেষভাবে স্বাগত জানাই, যা এই বিস্ময়কর খেলাটির ক্রমবর্ধমান বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তাকে প্রতিফলিত করে ।'।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।