মন কি বাত কীভাবে নতুন ভারত তৈরি করেছে, এই বই দেবে তার ব্যাখ্যা

20th October 2023 3:46 pm Country News
মন কি বাত কীভাবে নতুন ভারত তৈরি করেছে, এই বই দেবে তার ব্যাখ্যা


প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পরেই মন কি বাত অনুষ্ঠান শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দেখতে দেখতে সেটির একশোটি পর্ব পার হয়ে গিয়েছে। সেই মন কি বাত অনুষ্ঠান কীভাবে নতুন ভারত তৈরিতে সাহায্য করেছে তা নিয়ে বই লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সেই বইয়ের নাম 'ইগনিটিং কালেকটিভ গুডনেস'(Igniting Collective Goodness)।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লেখা বইটি প্রকাশ করেছে ব্লু ক্রাফট ডিজিটাল ফাউন্ডেশন। মন কি বাত অনুষ্ঠানের ১০০ পর্ব পূর্তি উপলক্ষ্যে বইটি প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে মন কি বাত রেডিও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গোটা দেশের মানুষকে তিনি যুক্ত করেছিলেন এক সূত্রে।ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উদ্দিপিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তাতে একাধিক মানুষের জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সমাজের একেবারে তৃণমূল স্তরের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করতে পেরেছেন তিনি। ধৈর্য, সাহসিকতা, এবং প্রতিভাবান মানুষের সঙ্গে এই মাধ্যমে গোটা দেশকে পরিচিত করিয়েেছন তিনি।বইটি আগামী প্রজন্মের কাছে একটি সম্পদ বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁরা বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা এবং পড়াশোনা করতে চাইছেন তাঁদের কাছে ভীষণভাবে উপকারী হবে প্রধানমন্ত্রী মোদীর েলখা এই বইটি। এতে গোটা দেশের সাধারণ মানুষের চিন্তা ভাবনা এবং বক্তব্য রয়েছে। তাঁরা কি করতে চান, কীভাবে তাঁরা এগিয়েছেন জীবনে এরকম অনেক তথ্য রয়েছে।তিনটি সিরিজের বইটি হবে। তাতে ২০১৪ সাল থেকে মন কি বাত অনুষ্ঠানের বিবরণ এবং অভিজ্ঞতা বলা থাকবে। ১০০টি পর্বে গোটা দেশের ২৩ কোটি মানুষ শুনেছেন। এই একটি মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদী সরাসরি গোটা দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করতে পেরেছেন। চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে বইটিকে। তাতে ১৯টি অধ্যায় রয়েছে। এই চারটি পর্বে ভারতের সংস্কৃতি, বৈচিত্র, পরিসংখ্যান এবং নীতিকৌশল তুলে ধরা হয়েছে।বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশ ভারতে এই মন কি বাত অনুষ্ঠান এক মাত্র প্ল্যাটফর্ম যেখানে সাধারণ মানুষ যুক্ত হতে পারে একসঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে সাধারণ মানুেষর যে সরাসরি কথা বার্তা সেটাও শোনা গিয়েছে এই অনুষ্ঠানে। বইটিতে একাধিক বিষয়ে তুলে ধরা হয়েছে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।