প্রয়াত বিষাণ সিংহ বেদী, ৭৭ বছর বয়সে চলে গেলেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক, মুখ্যমন্ত্রীর শোকবার্তা

23rd October 2023 5:51 pm Country News
প্রয়াত বিষাণ সিংহ বেদী, ৭৭ বছর বয়সে চলে গেলেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক, মুখ্যমন্ত্রীর শোকবার্তা


ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক বিষাণ সিংহ বেদী প্রয়াত। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। সোমবার প্রয়াত হন তিনি।১৯৬৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ভারতের হয়ে ৬৭টি টেস্ট ও ১০টি এক দিনের ম্যাচ খেলেছেন বেদী। টেস্টে নিয়েছেন ২৬৬টি উইকেট। এক দিনের ক্রিকেটে তাঁর উইকেটের সংখ্যা ৭টি। মনসুর আলি খান পাটৌডির পর ১৯৭৬ সালে ভারতের অধিনায়ক হয়েছিলেন বেদী।তাঁর অবসরের পরে ভারতের অধিনায়ক হন সুনীল গাওস্কর।ভারতের স্পিন আক্রমণের উত্থানে বড় ভূমিকা ছিল বেদীর। এরাপল্লি প্রসন্ন ও বি চন্দ্রশেখরের সঙ্গে মিলে এক শক্তিশালী স্পিন বিভাগ তৈরি করেছিলেন বেদী। সত্তর ও আশির দশকে এই ত্রয়ী ভারতীয় দলের সব থেকে বড় অস্ত্র ছিল। ভারতের প্রথম এক দিনের ম্যাচ জয়ে নায়ক হয়েছিলেন বেদী। ১৯৭৫ সালের বিশ্বকাপে পূর্ব আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১২ ওভারে আটটি মেডেন-সহ মাত্র ৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর দাপটেই পূর্ব আফ্রিকাকে ১২০ রানে আটকাতে পেরেছিল ভারত।১৯৭৭-৭৮ মরসুমে বেদীর নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সেই সময় সব থেকে ভাল খেলেছিল ভারত। ৫ ম্যাচের সিরিজ় ২-৩ ফলে হারতে হলেও সেই প্রথম বিদেশের মাটিতে লড়াই করেছিল ভারত। সেই সময় বব সিম্পসনের অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাঠে হারানো সহজ ছিল না।১৯৪৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর পঞ্জাবের অমৃতসরে জন্ম হয় বেদীর। মাত্র ১৫ বছর বয়সে নর্দার্ন পঞ্জাবের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা শুরু করেন তিনি। ১৯৬৮-৬৯ মরসুমে তিনি যোগ দেন দিল্লিতে। সেখানেই শেষ পর্যন্ত খেলেন। ১৯৭৮-৭৯ ও ১৯৭৯-৮০ মরসুমে দিল্লির অধিনায়কত্বও করেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে রঞ্জি ট্রফিতে দু'বার রানার্স হয় দিল্লি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩৭০টি ম্যাচে ১৫৬০টি উইকেট নিয়েছেন বেদী।ইংল্যান্ডের পরিবেশেও যথেষ্ট সফল হয়েছিলেন বেদী। তাঁর কাউন্টি কেরিয়ার সেই কথাই বলে। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ সালের মধ্যে নর্থহ্যাম্পটনশায়ারের হয়ে ১০২টি ম্যাচে ৪৩৪টি উইকেট নিয়েছিলেন এই বাঁ হাতি স্পিনার।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।