নিউজিল্যান্ড ম্যাচে সোনার পদক জয়ী কে? ঘোষণাতেই বড় চমক

23rd October 2023 6:18 pm Country News
নিউজিল্যান্ড ম্যাচে সোনার পদক জয়ী কে? ঘোষণাতেই বড় চমক


বিশ্বকাপে প্রতি ম্যাচের পরে দলের সেরা ফিল্ডারকে বিশেষ পদক দেওয়া হচ্ছে বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে। প্রতিটি ম্যাচ শেষেই সাজঘরে ঘোষিত হচ্ছে সেই ম্যাচের সেরা ফিল্ডারের ‌নাম, তাঁকে টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে প্রদান করা হচ্ছে সোনার মেডেল।এরপর সাজঘরে দলের ফিল্ডিং কোচ একে একে ফিল্ডারদের ম্যাচের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করেন। সেখানে তাঁর মুখে নাম উঠে আসে সিরাজ-বিরাট কোহলি-শ্রেয়স আইয়ারদের। ধরমশালার ম্যাচে আউটফিল্ড খুব একটা ভালো নয়, ফলে ফিল্ডারদের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল এই মাঠে ভালো ফিল্ডিং করা। কখনও কোচ নিজের মুখে সেরা ফিল্ডারের নাম ঘোষণা করেছেন, কখনও টেলিভিশনের পদায় ফুটে উঠেছে সেরা ফিল্ডারের নাম, কখনও আবার জায়ান্ট স্ক্রিনে চিহ্নিত করা হয়েছে বিজয়ীকে। রবিবার ধরমশালায় ভারতের সেরা ফিল্ডার ঘোষণায় ছিল রীতিমতো চমক। ফিল্ডিং কোচ তাঁর সংক্ষিপ্ত ভাষণে মহম্মদ সিরাজ, বিরাট, শ্রেয়সের প্রশংসা করেন। তবে কে জিতলেন পুরস্কার, সেটা জানার জন্য তিনি ক্রিকেটারদের ড্রেসিংরুমের বাইরে যেতে বলেন।মাঠে ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের মাঝে নেমে আসে একটি স্পাইডার ক্যামেরা। সেই ক্যামেরার সঙ্গে আটকানো ছিল সেরা ফিল্ডারের পদক।ভারত-নিউ জ়িল্যান্ডের সেরা ফিল্ডারের পুরস্কার পেয়েছেন শ্রেয়স আয়ার। প্রায় মাটির উপর থেকে অনবদ্য ক্যাচ ধরে ডেভন কনওয়েকে আউট করার স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি। যে স্পাইডার ক্যামেরায় পদক নেমে এসেছিল ক্রিকেটারদের মাঝে, সেই ক্যামেরাতেই ধরে রাখা হয় ক্রিকেটারদের উচ্ছ্বাস। এরআগে কোহলি, কেএল রাহুল, জাদেজা, শার্দূল ঠাকুররা এই মেডেল জিতেছেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।