কেউ এইট পাশ, কেউ আবার স্কুলই যাননি! জানুন পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের শিক্ষাগত যোগ্যতা

24th October 2023 6:13 pm Country News
কেউ এইট পাশ, কেউ আবার স্কুলই যাননি! জানুন পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের শিক্ষাগত যোগ্যতা


যেকোনো টিমের ক্রিকেটারদের ভালো পারফরম্যান্স এর পাশাপাশি তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতাও অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই হয়তো জানেন না যে, ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড়, অনিল কুম্বলে এমনকি বর্তমান ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন হলেন ইঞ্জিনিয়ার।সেরকমই পাকিস্তানের বর্তমান ক্রিকেট টিমের সদস্যদের (Pakistan Cricket Team) শিক্ষকতা যোগ্যতা কি তা চটজলদি জেনে নেওয়া যাক আজকের প্রতিবেদন থেকে।যদিও শিক্ষাগত যোগ্যতা দিয়ে একজন ভালো ক্রিকেটারকে বিচার করা যায় না, তবুও এই বিষয়টি বরাবরই চর্চিত বিষয়। পাকিস্তান টিমের (Pakistan Cricket Team) অন্যতম ভরসার নাম হল মহম্মদ রিজওয়ান। তিনি কোন স্কুল এবং কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছেন সেই বিষয়ে সঠিক কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। কিন্তু তিনি সম্প্রতি হার্ভাড বিজনেস স্কুল থেকে সাম্মানিক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এরপরে আলোচনা করা যাক পাকিস্তানের অন্যতম ক্রিকেটার হ্যারিস রউফ এর কথা। ইসলামাবাদের মডেল কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছেন। তিনি ফুটবলে নিজের সময় দিলেও, পরে তিনি ক্রিকেটার হয়ে যান।পাকিস্তান টিমের আরো একটি উল্লেখযোগ্য নাম হলো ফখর জামান(Pakistan Cricket Team) । তিনি ম্যাট্রিক পাশ করে যোগ দেয় পাকিস্তান নেভি স্কুলে। মাত্র ১৬ বছর বয়েসে করাচির নেভি স্কুলে তিনি যখন যোগ দেন। সেখানকার স্কুলিং শেষ করে পাশাপাশি তিনি সমুদ্রে চলার প্রস্তুতি নেন। পড়াশোনা শেষ করে পাকিস্তানের নেভিতে যোগ দেন তিনি এবং তাদের হয়ে ক্রিকেট খেলা শুরু করেন। তিনি পাকিস্তান নেভির লেফটেন্যান্ট।ইফতিকার আহমেদ (Pakistan Cricket Team) পাকিস্তান ক্রিকেটে চাচা বলে পরিচিত, তিনি স্নাতক পাশ করেছেন। তারপর নিজের পুরো সময় ক্রিকেটে দেন। পাশাপাশি আলোচনা করা যেতে পারে পাকিস্তানের অলরাউন্ডার সালমাল আল আঘা সম্পর্কে। তিনি হাইস্কুল পাশ করেছেন। অন্যদিকে পাকিস্তানের সহ অধিনায়ক শাদাব খান একজন স্নাতক। এরথেকে বেশি তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার ব্যাপারে সঠিক তথ্য জানা যায় না।বাবর আজম হলেন পাকিস্তান ক্রিকেট টিমের অধিনায়ক। তিনি ক্লাস এইট পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।