নকিয়ার নিয়ে আসছে ৯০০০ এমএএইচ ব্যাটারির স্মার্টফোন

26th October 2023 2:06 pm Country News
নকিয়ার নিয়ে আসছে ৯০০০ এমএএইচ ব্যাটারির স্মার্টফোন


 

পথমবারের মতো ৯০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের শক্তিশালী ব্যাটারির স্মার্টফোন নিয়ে আসছে নকিয়া। মডেল- নকিয়া মেজ ম্যাক্স ২। শক্তিশালী ব্যাটারি ছাড়াও এই ডিভাইসে থাকছে ১২ জিবির র‌্যাম এবং ৪৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।আপডেটেড অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমেসহ ফোনটিতে থাকছে বেজেললেস ডিসপ্লে।ডিসপ্লের আকার হবে ৬.৯ ইঞ্চি। এতে পাওয়া যাবে ফোরকে রেজুলেশন। ডিভাইসটিতে থাকছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৬৫ চিপসেট। ১২ জিবি র‌্যামের সঙ্গে থাকছে ২৫৬/৫১২ জিবি রম।নকিয়ার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এইচএমডি গ্লোবাল দাবি করেছে, ফোনটি বাজারে আসলে ভীষণ জনপ্রিয়তা পাবে। ছবির জন্য রিয়ারে থাকছে ৪৮ মেগাপিক্সেল, ৮ মেগাপিক্সেল এবং ৪ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। সেলফির জন্য থাকছে ২৪ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট শুটার।নিরাপত্তার জন্য এতে অন স্ক্রিন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেয়া হয়েছে। কানেক্টিভিটির জন্য থাকবে ৫জি, ওয়াইফাই, ব্লুটু এবং জিপিএস। ফোনটির দাম হবে ৮৮০ ডলার (প্রায় ৭৫ হাজার টাকা)।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।