দেশজুড়ে ট্রেনের ৭৫ হাজার কোচে বসছে সিসিটিভি ক্যামেরা নিরাপত্তা বাড়াতে আর কী কী করছে রেল

10th November 2023 5:13 pm Country News
দেশজুড়ে ট্রেনের ৭৫ হাজার কোচে বসছে সিসিটিভি ক্যামেরা নিরাপত্তা বাড়াতে আর কী কী করছে রেল


ভারতীয় রেলের সার্বিক পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। যাত্রী নিরাপত্তা বাড়াতে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে ভারতীয় রেলের তরফে। ইদানীং কালে পরপর কয়েকটি ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরপত্তায় দেশজুড়ে ট্রেনের কোচের ভিতরে সিসিক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।শুধু কোচে নয় ট্রেনের ইঞ্জিনেও বসবে উন্নত ক্যামেরা ও ভিডিও রেকর্ডিং সিস্টেম।বন্দে ভারত, র‌্যাপিড এক্সের মতো অত্যাধুনিক ট্রেন উপহার পাচ্ছে দেশবাসী। এতদিন যাত্রী নিরাপত্তার কথা ভেবে স্টেশনে স্টেশনে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হচ্ছিল। পশ্চিমবঙ্গেও নির্ভয়া প্রকল্পে মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষায় দক্ষিণ-পূর্ব রেলের বিভিন্ন ডিভিশনে স্টেশনগুলিতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়। পাশাপাশি কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেন যেমন রাজধানী, শতাব্দী ও দুরন্তের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের কামরাতেও বসানো হয়েছিল সিসি ক্যামেরা। কিন্তু এবার সার্বিকভাবে দেশজুড়েই প্রায় ৭৫ হাজার কোচে নজরদারি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। পাশাপাশি, ট্রেনের ১৫ হাজার ইঞ্জিনেও বসতে চলছে আরও উন্নত ক্যামেরা। এর পোশাকি নাম 'ক্রিউ ভয়েস অ্যান্ড ভিডিও রেকর্ডিং সিস্টেম'। এক্ষেত্রে দুর্ঘটনার সময়ে ট্রেনচালকদের কেবিনে কী ঘটেছে তা ক্যামেরার মাধ্যমে জানা যাবে।সাম্প্রতিক অতীতে বাহানাগা ট্রেন দুর্ঘটনা-সহ আরও কয়েকটি দুর্ঘটনার কারণ খুঁজতে রীতিমতো নাজেহাল হতে হয়েছে। ঠিক কী ঘটেছিল তা জানতে অনেক সময় লাগে তদন্তকারীদের। তাছাড়া ট্রেনের ভেতরেও নানা অপরাধমূলক ঘটনা ঘটে। সেসবের তদন্তও সঠিকভাবে করার জন্যই সিসিটিভি ক্যামেরার প্রয়োজনীয়তা দেখছে রেল।রেল কর্তাদের দাবি, ট্রেনের কোচ এবং ড্রাইভারের কেবিনে ক্যামেরা থাকলে প্রকৃত ঘটনা সহজেই জানা যাবে। এই ধরনের ঘটনা আদালত অবধি গড়ালে তদন্তকারী সংস্থা ওই ফুটেজ প্রমাণ হিসেবে পেশ করার সুযোগও পাবে। পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ড কিংবা জরুরি পরিস্থিতে দ্রুত পদক্ষেপও করা যাবে বলে আশাবাদী রেল কর্তারা।ভারতীয় রেলের সংস্থা 'রেল টেল'-কে এই কাজের বরাত দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে কাজ সেভাবে এগোয়নি। ট্রেনের কোচ ও ইঞ্জিন মিলিয়ে প্রায় ৯০ হাজার সিসি ক্যামেরা ।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।