এ বার রোহিতদের দলের সেরা ফিল্ডার বেছে নিলেন আম্পায়ার বেঙ্গালুরুতে ট্যুইস্ট সেরা হলেন কে?

13th November 2023 3:52 pm Country News
এ বার রোহিতদের দলের সেরা ফিল্ডার বেছে নিলেন আম্পায়ার বেঙ্গালুরুতে ট্যুইস্ট সেরা হলেন কে?


পতি ম্যাচে যেমন ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছেন ভারতীয় ক্রিকেটারেরা, তেমনই ম্যাচ শেষে চমকের ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছে ম্যানেজমেন্ট। প্রতি ম্যাচ শেষে বেছে নেওয়া হচ্ছে দলের সেরা ফিল্ডারকে। তবে প্রতি বারই সেই বেছে নেওয়ার পদ্ধতিতে থাকছে চমক। বেঙ্গালুরুতেও তা দেখা গেল। রিভিউ নিয়ে সেরা ফিল্ডার বাছল ভারত।বেঙ্গালুরুতে নেদারল্যান্ডসকে হারানোর পর সাজঘরে ভারতের বোলিং কোচ টি দিলীপ বলেন, ''এই ম্যাচে সেরা ফিল্ডার বাছার পদ্ধতিতে একটা চমক আছে। আমার সহকারী নুয়ান মেডেল পরিয়ে দেবে। আর সেরা ফিল্ডার আমরা বেছে নেব নতুন পদ্ধতিতে। সবাই মাঠে চলো।''এ কথা শুনে গোটা দল মাঠে যায়। সেখানে এক এক করে সেরা ফিল্ডারদের নাম দেখাতে বলেন দিলীপ। রিভিউ নেওয়ার সময় তৃতীয় আম্পায়ারের সঙ্গে মাঠের আম্পায়ার যেরকম ওয়াকিটকিতে কথা বলেন, সেরকম রিভিউ নেওয়ার ভঙ্গিতে গোটা ব্যাপারটা করা হয়। তখন জায়ান্ট স্ক্রিনে তাঁদের নাম ভেসে ওঠে। প্রথমেই দেখা যায় রবীন্দ্র জাডেজার নাম। তার পর আসে সূর্যকুমার যাদবের নাম। শেষে আসে লোকেশ রাহুলের নাম।তিন জনের মধ্যে কে সেরা ফিল্ডার সেটা বেছে নিতে মাঠকর্মীদেরও সাহায্য নেন দিলীপ। মাঠের মাঝে দাঁড়িয়ে পাঁচ জন মাঠকর্মী তাঁদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডের সাহায্যে বুঝিয়ে দেন যে সূর্যই এই ম্যাচের সেরা ফিল্ডার। তাঁর গলায় মেডেল পরিয়ে দেন নুয়ান। তার পরে মাঠকর্মীদের সঙ্গে হাত মেলান সূর্য। তাঁদের সঙ্গে ছবিও তোলেন ভারতীয় ক্রিকেটার।তাঁর সেরা ফিল্ডার হওয়ার নেপথ্যে যে ফিল্ডিং কোচ দিলীপের বড় ভূমিকা রয়েছে সে কথা স্বীকার করে নিয়েছেন সূর্য। তিনি বলেন, ''এক বছর ধরে এই মানুষটা আমার পিছনে পড়ে আছে। এত দিনে সেই পরিশ্রমের দাম দিতে পারলাম।''





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।