ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার পর আসছে ঘূর্ণিঝড়, ভারী বৃষ্টিও কি বলছেন আবহবিদরা?

13th November 2023 5:06 pm Country News
 ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার পর আসছে ঘূর্ণিঝড়, ভারী বৃষ্টিও কি বলছেন আবহবিদরা?


আশঙ্কাই সত্যি হতে চলেছে। দীপাবলির পরই বদল আসতে চলেছে বাংলার আবহাওয়ায়। উৎসব ভালয়-ভালয় কাটলেও ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার (Cyclone- heavy rain) পর ঘনিয়ে আসতে চলেছে দুর্যোগ। আলিপুর হাওয়া অফিস তাদের পূ্র্বাভাসে জানিয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে হানা দিতে পারে ঘূর্ণিঝড়। থাইল্যান্ড উপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণাবর্ত পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে হানা দিতে পারে ঘূর্ণিঝড়রূপে।

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা প্রবল। তবে সেই সম্ভাবনা স্পষ্ট হবে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে। পূর্বাভাস, একটি শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে থাইল্যান্ড উপসাগরে। তা পূর্ব আন্দামান সাগরে প্রবেশ করবে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে। ফলে আন্দামানে ভারী থেকে অতি-ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। তারপর তা বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে যত অগ্রসর হবে, ততই শক্তি সঞ্চয় করতে থাকবে। ক্রমেই তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। ১৫ নভেম্বর সেই গভীর নিম্নচাপ উত্তর-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে আরও কিছুটা শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড়ে (Cyclone- heavy rain) পরিণত হবে। আবহবিদরা জানিয়েছেন, ১৭ নভেম্বর পুরী থেকে চট্টগ্রামের মধ্যে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। আছড়ে পড়ার আগে ঘূর্ণিঝড়টির কিছুটা শক্তিক্ষয় হবে। ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হলে তার নাম হবে ‘মিধিলি’। তবে তা পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আঘাত হানবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। ওড়িশা থেকে বাংলাদেশের মধ্যে কোনও উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।