সেমিফাইনালের মহারণে কি বাদ সাধতে পারে বৃষ্টি? কেমন থাকবে আবহাওয়া?

15th November 2023 10:41 am Country News
সেমিফাইনালের মহারণে কি বাদ সাধতে পারে বৃষ্টি? কেমন থাকবে আবহাওয়া?


ভারত বনাম নিউজিল্যান্ডের (IND vs NZ) মধ্যে বিশ্বকাপের (ICC ODI World Cup 2023) সেমিফাইনাল বলে কথা। উত্তেজনায় ফুটছে গোটা দেশ। তবুও সবার মনে একটাই প্রশ্ন। কেমন থাকবে মুম্বইয়ের (Mumbai) আবহাওয়া? ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের বাইশ গজে চার-ছক্কার বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।কিন্তু শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি ও মন্দ আবহাওয়ার জন্য বিরাট কোহলি (Virat Kohli) বনাম কেন উইলিয়ামসনের (Kane Williamson) ডুয়েল ভেস্তে যাবে না তো? জেনে নিন আবহাওয়ার আপডেট।ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বৃষ্টি হবে না বলে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে অন্য একটি বিষয় ক্রিকেটার ও গ্যালারিতে থাকা সমর্থকদের চিন্তা বাড়াতে পারে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ১৫ নভেম্বর মুম্বইয়ে রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া থাকবে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া সেই শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের গতিবেগ হবে ঘণ্টায় ১৪ কিলোমিটার। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ৪৪ শতাংশ আর্দ্রতা থাকায় বৃষ্টির কোনও আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে নামার আগে কার কাছে শীর্ষস্থান হারালেন সিরাজ?তবে রাতে শিশির পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শেষ ১০-১৫ ওভারে দলের বোলিংয়ে সমস্যা হতে পারে। এটা স্পষ্ট যে প্রথমে বোল করলে ভারত কিছুটা সুবিধা পেতে পারে। তবে ভারত যদি টসে জিততে না পারে তবে রোহিত শর্মাদের সমস্যায় ফেলতে পারে ডিউ ফ্যাক্টর।এদিকে এই মাঠটি বেশ ছোট, যার কারণে এখানে প্রচুর রান হয়। প্রথমে ব্যাট করা দলের এখানে গড় স্কোর ২৬১ রান। এই পিচে প্রথমে ব্যাট করা দল জিতেছে ১৪ টি ম্যাচ। অন্যদিকে প্রথমে বোলিং করা দলটি জিতেছে ১৩টি ম্যাচ। যদিও পিচের আর্দ্রতার কারণে পরে বোলিং করা কঠিন হয়ে পড়বে। আর তাই চলতি কাপযুদ্ধের প্রথম সেমিফাইনালে টস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে চলেছে কিউয়িরা, সেমি-যুদ্ধের আগে ইঙ্গিত রোহিতেরওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বৃষ্টি হবে না বলে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।